Monday, 31 July 2017

স্ত্রী সহবাস, যৌন মিলনের স্বাভাবিক স্থায়িত্বকাল কত মিনিট?

প্রশ্ন :
বিগত ছয় বছর ধরে আমার স্বামী ও আমার মধ্যে অশান্তি বিরাজ করছে। কারন তিনি উপগত হয়ে সেক্স কাজ শুরু করার পর বেশীক্ষণ টিকে থাকতে পারেনা। পুর্ণ তৃপ্তি আসতে আমার ১০ মিনিটের মত সময় লাগে। অথচ তিনি মাত্র ২ মিনিটের মধ্যেই পূর্ণ তৃপ্তি পেয়ে যান। তার এতো তাড়াতাড়ি বীর্য স্খলনের পিছনে কি কোন শারীরিক সমস্যা আছে? স্বাভাবিক যৌন মিলন কতটা সময় স্থায়ী হওয়া উচিত?

উত্তর :

বিভিন্ন ব্যাক্তির যৌন মিলনের স্থায়িত্বকাল বিভিন্ন রকম হয়। আবার একই ব্যাক্তির স্থায়িত্বকালের মধ্যে নানা রকম কারনে বিভিন্ন উপলক্ষে বিরাট ব্যবধান দেখা দিতে পারে ( যেমন অত্যধিক যৌন উত্তেজনা, বারবার মিলন, শারীরিক ক্লান্তি ইত্যাদি )
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপগত হয়ে সেক্স কাজ শুরুর পরে মিলন সাধারনত ২ মিনিট স্থায়ী হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার স্বামীর স্থায়িত্বকাল ঠিকই আছে।
আপনাদের মিলনের সময় যা দরকার সেটা হলো মিলনের আগে বেশীক্ষণ শৃঙ্গার করা। এবং মানসিক ও দৈহিকভাবে পূর্ণ উত্তেজিত হওয়া। মেয়েদের মিলনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হতে কতটা সময় লাগে সে ব্যাপারে বেশীরভাগ পুরুষই অজ্ঞ। স্ত্রীকে মিলনের জন্য প্রস্তুত করতে গিয়ে পুরুষেরা ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে পারেনা। সে জন্যেই বলা হয় যে, প্রতিবার মিলনের আগে স্ত্রীকে পূর্ণভাবে উত্তেজিত করে নিতে হবে।
অন্যদিকে তাড়াতাড়ি চরম আনন্দ লাভের জন্য আপনার সম্ভবত অন্য ধরনের উত্তেজক ব্যবস্থা দরকার । যৌন মিলন সম্পর্কিত অধিক জ্ঞান আপনার স্বমী এবং আপনাকে অধিকতর তৃপ্তি দিতে পারবে নিঃসন্দেহে।

Thursday, 20 July 2017

রূপচর্চা | মাত্র সাত দিনে ফর্সা সুন্দরী ও আকর্ষণীয় হওয়ার উপায়

উজ্জল ফর্সা ত্বক নারীর অহংকার। এদেশে পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে যে গায়ের রং দেখে মেয়েদের মূল্যায়ন করা হয়। এর ফলে তারা এক ধরনের হীনমন্যতায় ভোগে যা তাদেরকে মানষিক ভাবে দুর্বল করে ফেলে। এর থেকে বাচার জন্য ফর্সা ও ত্বকের উজ্জলতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ক্রীম , স্কিন ট্রিটমেন্টের সাহায্য নেয়। কিন্তু এগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব অনেক বেশি। ত্বক নষ্ট করে ফেলে। কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে রাতারাতি ফর্সা সুন্দরী ও আকর্ষণীয় হয়ে চমকে দিন সবাইকে।
হলুদ :
রূপ চর্চায় হলুদ ব্যবহার হয়ে আসছে যোগযোগ ধরে।
 * ১ চামচ হলুদ গুড়া
* ১ চামচ ওটমিল
* ১ চামচ লেবুর রস
* ১ চামচ মধু
এই সবগুলো একসাথে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। তারপর এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। দেখুন কি অপরূপ দেখাচ্ছে আপনাকে।


 লেবু : 
ত্বকের রং ফর্সায় ও উজ্জলতা বাড়াতে লেবুর জুড়ি নেই।
* দুধ ৩ টেবিল চামচ
* লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
* কাচি হলুদ বাটা ১ চা চামচ
এবার এই সবগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর এই মিশ্রণটি সারা মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কমপক্ষে ১২ ঘন্টা রোদে যাবেন না।

 পাকা পেপে : 
এক ফালি পাকা পেপে ও এক টেবিল চামচ মধু একত্রে মিশিয়ে আলতোভাবে আপনার মুখে মাখান । এইভাবে কয়েক দিন করার পরে দেখুন আপনার চেহারা।

 চন্দনের গুড়া : 
 ত্বকের রং ফর্সা করতে চন্দনের গুড়া ম্যাজিকের মত কাজ করে। চন্দনের গুড়া পরিমানমত পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এই পেস্টটি মুখে মাখিয়ে কিছুক্ষন রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যাস্ ।


 ডাবের পানি : 
 ডাবের পানিতে আছে পটাশিয়াম। এটা ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে বিশেষ উপকারি। ত্বকের কালো ছোপ ছোপ দাগ , ফুসকুড়ি ইত্যাদি দুর করে ত্বককে আকর্ষণীয় করে তোলে।

 টক দই :
 এক চামচ টক দই ও সিকি চামচ লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটি সারা মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কিছু দিন চালিয়ে যান । সবাইকে অবাক করে দিয়ে আপনি হয়ে উঠবেন ফর্সা সুন্দরী এবং আকর্ষনীয় ত্বকের অধিকারী।

Monday, 17 July 2017

পুরুষ লিঙ্গের সাইজ, আকার আকৃতি কেমন হওয়া উচিত

প্রশ্ন : আমার বয়স ২১ বছর । কলেজে পড়ি। আমার লিঙ্গ একেবারে ক্ষুদ্রাকৃতির। পাঁচমাস আগে আমার সাথে একটি মেয়ের বিয়ের সম্বন্ধ হয়েছে। সামনের সপ্তাহে বিয়ের সম্ভাব্য তারিখ । কিন্তু আমি এক ধরনের দুশ্চিন্তায় ভুগছি স্ত্রীকে যৌন তৃপ্তি দিতে পারব কিনা। স্যার, আপনার কাছে আমার প্রশ্ন স্ত্রীকে পুরোপুরি তূপ্তি দিতে লিঙ্গের আকার কতটুকু হওয়া দরকার?

উত্তর :

যৌন মিলন সম্পর্কিত একটি বিরাট ভুল ধারনা হলো যে, স্বামীর যৌনাঙ্গের আকারের উপরে স্ত্রীর যৌন তৃপ্তি নির্ভর করে। এর চেয়ে অসত্য আর কিছুই হতে পারেনা।

সহপাঠী ও বন্ধুদের কাছে অনেকে লিঙ্গের স্বাভাবিক আকার সম্পর্কে ঠাট্টাচ্ছলে যা শুনে তাই বিশ্বাস করে বসে। যদি কোন পুরুষের লিঙ্গ স্বাভাবিক আকারের চেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির হয় তাহলেও যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে সেটা কোন দৈহিক অসুবিধা সৃষ্টি করে না

যৌন উত্তেজনার জন্য যে সব উপাদান প্রয়োজন সে সম্পর্কিত সঠিক ধারনা , শৃঙ্গার সংক্রান্ত জ্ঞান এবং মিলনের কলাকৌশল সম্পর্কিত বিশদ জ্ঞান , যৌনাঙ্গের আকারের চেয়ে বেশী জরুরী বিষয়। যদি স্বামীর এই জ্ঞান এবং কলাকৌশল সম্পর্কে ধারনা থাকে , সর্বোপরি যুবক-যুবতি উভয়েই যদি পরস্পরকে ভালবাসে , তাহলে যৌনাঙ্গের আকার নিয়ে স্বামীর উদ্ধিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই। অত্যন্ত ক্ষুদ্র লিঙ্গ নিয়ও স্বামী স্ত্রীকে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে সক্ষম।

সাধারণত দেহের অন্যান্য প্রত্যঙ্গের মতো লিঙ্গের আকারও উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত। লিঙ্গ যখন অনুত্তেজিত থাকে তখন সেটার গড় দৈর্ঘ্য তিন থেকে সোয়া তিন ইঞ্চি হতে পারে । এবং উত্তেজিত অবস্থায় সেটার দৈর্ঘ্য বেড়ে গড়ে সারে পাঁচ ইঞ্চি থেকে ছয় ইঞ্চি হতে পারে। লিঙ্গের বেড় সারে তিন ইঞ্চি থেকে সোয়া চার ইঞ্চির মধ্যে থাকে। অনুত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের আকারের কোন গুরুত্ব নেই। কেননা উত্তেজিত অবস্থায় বিভিন্ন লোকের লিঙ্গ বিভিন্ন আকার ধারণ করে।

Saturday, 8 July 2017

কতদিন পরপর বা সপ্তাহে কতদিন স্ত্রী সহবাস বা যৌন মিলন করা উচিত

প্রশ্ন : প্রায় এক বছর হলো আমার বিয়ে হয়েছে। বেশ কয়েক সপ্তাহ আমরা প্রায় প্রতি রাতেই মিলিত হয়ে থাকি। আমার ভয় হয় যে , আমরা দুজনে পূর্ণ তৃপ্তি পেলও ব্যাপারটা দাম্পত্য সুখ ও স্বাস্থ্যের জন্য হয়তো খুব ভাল নয়। আমাদের এই ঘন ঘন মিলন কি অস্বাভাবিক ? যুবক যুবতি যুগলের জন্য সপ্তাহে কত বার যৌন মিলন স্বাভাবিক ?

উত্তর :

বিবাহিত দম্পতির জন্য যৌন মিলনের কোনো 'স্বাভাবিক সংখ্যা' নেই। উভয়ের সম্মতি ও ইচ্ছা অনুযায়ী যতবার খুশী তারা মিলিত হতে পারে। উভয়ের সম্মতি থাকলে স্বাস্থ্যবান দম্পতির ঘন ঘন বা অত্যধিক মিলন কোনো উদ্বেগের বিষয় নয়।


  যৌন গবেষণায় দেখা গেছে , কুড়ি থেকে পঁয়ত্রিশ - এই বয়স সীমার বিবাহিত যুবক-যুবতি সপ্তাহে বেশ কয়েকবার মিলিত হয়ে থাকে। বিয়ের পর প্রথম কয়েক বছর যদি সপ্তাহে নয় থেকে বারো বারও স্বামী স্ত্রী মিলিত হয় তাহলে সেটাকে অস্বাভাবিক বলা যাবে না। বিয়ের পরে কয়েক বছর তরুণ স্বামী-স্ত্রী প্রায় প্রতি রাতেই তিন থেকে চারবার মিলিত হয় এমন নজিরও আছে। 


  বিবাহ সম্পর্কিত বিখ্যাত পরামর্শদাতা ডাঃ এমিলি মুড বলেন, " পারস্পারিক সমঝোতা ভিত্তিক যৌন সমঝোতা নিতান্তই ব্যাক্তিগত। কতোবার দম্পতি মিলিত হবে , কোন আসনে মিলিত হবে অথবা মিলনকাল কতক্ষণ হবে এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। দম্পতির উভয়েই পরিতৃপ্তি পাচ্ছে এবং আরামদায়কভাবে মিলিত হতে পারছে অথচ স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হচ্ছে না , এটাই বিবেচ্য বিষয় ।"

যৌন সমস্যা , যৌন দুর্বলতার স্থায়ী সমাধান



২৩ বছর বয়সে বিয়ে করেছি। বিয়ের আগে কোনো যৌন অভিজ্ঞতা ছিলনা। প্রথমবার স্ত্রীর সঙ্গে সাফল্যের সাথে মিলিত হতে পারিনি। এর পরে অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বিয়েটা ভেঙ্গে যায়। বর্তমানে আমি আর একটি মেয়ের প্রেমে পড়েছি। কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে যে আবারও বুঝি বিয়ে ভেঙ্গে যাবে। 


উত্তর :

বিয়ের পর প্রথমবার স্ত্রী সহবাস করতে গিয়ে আপনার মতো অনেকেই কোনো-না-কোনো কারনে সফল হতে পারে না। এক ধরনের ভীতি, অতিমাত্রায় উত্তেজনা অথবা অন্য কোনো কারনে এমন হতে পারে। যদি তাদের মনে বেশী ভয় বা দুশ্চিন্তা থাকে তাহলে ব্যাপারটা খুব খারাপ হতে পারে। পরবর্তীকালে তারা আরো বেশী ব্যর্থতার পরিচয় দিতে পারে। এ অবস্থা ক্রমশঃ দ্রুত অবনতির দিকে যেতে থাকে।

ভীতির জন্য কেউ কেউ নিজেদের পুরুষত্বহীন মনে করতে থাকে। যদি এ ধরণের যুবকরা চিকিৎসকের কাছ থেকে সঠিক পরামর্শ পান এবং সেই পরামর্শ অনুসরণ করেন তাহলে আর অসুবিধা থাকেনা। 

একটা জরুরি কথা মনে রাখতে হবে । স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হতেই হবে এই মনোভাব ত্যাগ করতে হবে। ব্যাপারটা খুব স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মনে করতে হবে। পারস্পারিক মতামতের ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রীর সন্তুষ্টি অর্জণের পথে এগিয়ে যেতে হবে। উভয়েরই মত বিনিময়ের সুযোগ থাকতে হবে। এই সমঝোতা হলে সহবাসের সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত বা ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ থাকবে না।

Nice Couple

Shahinul Haque and Jannatul Ferdous Runa.
Shahin , Shahinul Haque , Jannatul Ferdous Runa
Shahin , Shahinul Haque , Jannatul Ferdous Runa

Sunday, 21 May 2017

যৌন সমস্যা , পুরুষত্বহীনতা, লিঙ্গ উত্থান সমস্যা


প্রশ্ন : আমার বয়স ৩৩ বছর। সফল যৌন মিলনের ব্যাপারে আমি বেশ অসুবিধার মধ্যে আছি। আমার লিঙ্গ সহজে উত্থিত (খাড়া) হয় না। এবং খাড়া হলেও বেশীক্ষণ ঐ অবস্থায় থাকেনা। এটা কি এক ধরণের পুরুষত্বহীনতা? আমি শুনেছি, যুবকদের মধ্যে পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে মনস্তাত্ত্বিক কারনে দেখা যায়। কিন্তু দৈহিক অসুবিধার জন্যও কি লিঙ্গের উত্থান বন্ধ হতে পারে? একমাত্র ঘুমন্ত অবস্থা ছাড়া আমার লিঙ্গ পুরোপুরি উত্থিত হয় না। 

উত্তর :

দেখা গেছে, ৪০ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে শতকরা মাত্র ১০ জনের দৈহিক কারণে পুরুষত্বহীনতা দেখা দিতেপারে। মেরুদন্ডে কোনো রকমের জখম হলে অনেক সময় আর কখনোই লিঙ্গ উত্তেজিত হয়না। কোনো কোনো সময় প্রোস্টেট-এর অসুবিধার জন্যেও লিঙ্গের উত্থান শক্তি কমে যায়। বহুমূত্র রোগের জন্যেও লিঙ্গ উত্থানের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

কোনো যুবকের মধ্যে লিঙ্গের এই সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারকে দেখিয়ে দৈহিক অসুবিধা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিত। যদি দেখা যায় যে দৈহিক অসুবিধা নেই , তাহলে মানসিক কারণ খুঁজে বের করতে হবে। 

যৌন বিজ্ঞানীরা দীর্ঘকাল থেকে দেখে অসছেন যে কোরো লিঙ্গ যদি কখনো পুরোপুরি উত্থিত হয়ে থাকে তাহলে পরবর্তী পুরুষত্বহীনতার জন্যে কোনো দৈহিক কারণ দায়ী নয়। অর্থাৎ যে ব্যক্তির লিঙ্গ একবার পুরোপুরি হয়েছে , পরে তার মধ্যে পূর্ণ বা আংশিক পুরুষত্বহীনতা দেখা  গেলে সে জন্যে মনস্তাত্ত্বিক কারণই দায়ী।